চরিত্রের অবক্ষয় এবং সামাজিক মূল্যবোধের সুরক্ষা

চরিত্রের অবক্ষয় এবং সামাজিক মূল্যবোধের সুরক্ষা

Published : Thursday, 9 November, 2017 at 6:58 PM

বাংলায় একটা প্রবাদ আছে “প্রথমে দর্শনধারী তারপর গুনবিচারি” বস্তুত আমাদের যখনই প্রথম কারো সাথে দেখা হয়, তখন তার আচরণের মাধ্যমেই আমরা তাকে বিচার করি। একজন মানুষ যখন আরেকজনের সাথে ভাবের আদান-প্রদান করে তখন তার আচার আচরণই তার চরিত্রকে তুলে ধরে। আমরা একজনকে তার স্বভাবের ভিত্তিতেই ভালো বা মন্দ হিসেবে বিবেচনা করি যদিও আত্মিক দিক থেকে সে তার সম্পূর্ণ বিপরীত হতে পারে।
শুধুমাত্র ব্যক্তিগত ক্ষেত্রেই নয় বরং সামাজিক, সাম্প্রদায়িক, জাতীয়, রাজনৈতিক, কর্মক্ষেত্রসহ সকল ক্ষেত্রেই আমাদের আচার-আচরণের পরিশীলন করা উচিৎ যাতে করে আমরা যার সাথে ভাবের বিনিময় করছি, সকল দিক থেকেই যেন তাকে একটি ভাল বার্তা প্রদান করা যায়। কিন্তু এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে, বাংলাদেশে আমরা অবিরত আমাদের চরিত্রকে হারাচ্ছি এবং তা সমাজের সকল স্তরেই ঘটে চলেছে।
বাড়ীর বাইরে পা রাখা মাত্রই আমাদের চারিদিকে আমরা অসদ্বাচণের অনেক উদাহরণ দেখতে পাই। রাস্তাঘাটে প্রতিদিন অসংখ্য লোক খারাপ আচরণের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে থাকে। লোকজন দিন দিন রূঢ় ও আক্রমণাত্মক হয়ে যাচ্ছে। এবং গত কয়েক বছর ধরে এই অবক্ষয়টা অনেক দ্রুত হচ্ছে।
আজকাল সমাজে বড়দের প্রতি কোনো শ্রদ্ধাবোধ আছে বলে মনেই হয় না। খারাপ আচরণের সবচেয়ে সাধারণ উদাহরণ হচ্ছে বিভিন্ন যানবাহনের  চালকেরা। ঢাকার সর্বত্র চরম যানজটের দরুণ তারা খুব দ্রুত তাদের সহনশক্তি হারায় এবং যখনই কারো সাথে বাদানুবাদ হয়, তখন তাদেরকে প্রায় সবসময়ই গালিগালাজে লিপ্ত হতে দেখা যায়।
আইন মেনে চলার ক্ষেত্রে এই চালকেরা সম্পূর্ণ চরিত্র হারিয়েছে এবং যখনই তারা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্বারা কোনো সমস্যার সম্মুখীন হয়, তখন তারা ঘুষ প্রদানের মাধ্যমে তা সমাধান করে ফেলার চেষ্টা করে, যা ক্ষয় হয়ে যাওয়া চরিত্র ও মূল্যবোধের পরিচায়ক। এই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মধ্যেও চারিত্রিক মূল্যবোধের কমতি রয়েছে। যার কারণে তারা শহরের যানজট নিরসনে তাদের যে দায়িত্ব তাকে সবসময় অবহেলা করে এবং সবসময়ই তারা অসাধু উপায়ে উপার্জনের জন্য চেষ্টা করতে থাকে। অন্যদের সাথে তাদের আচরণেও কোনো শ্রদ্ধাবোধ পরিলক্ষিত হয় না যদি না ব্যক্তিটি কোনো শক্ত রাজনৈতিক বা সরকারি পরিচয়ধারী না হোন।
রাস্তাঘাটে কেউই ভালো আচার-আচরণ প্রদর্শণ করে না কারণ, প্রত্যেকেই ক্রমাগত আইন ভঙ্গ করে চলেছে।
আমাদের পরিবারগুলোতেও একই অবস্থা। আজকের বাংলাদেশে বয়োবৃদ্ধদের বা বড়দের শ্রদ্ধা করা একটি বিলুপ্ত প্রথা হয়ে গেছে। যৌথ পরিবার প্রথার বিলুপ্তির কারণে বাচ্চারা আজকাল বড় হওয়ার সময় খুব অল্পই বড়দের দেখা পায়। একই সাথে অনেক ভালোদিক থাকার পরেও বাচ্চাদের বন্ধুত্বপূর্ণ ভাবে বড় করার আধুনিক পন্থায় বাচ্চাদের ভালো আচরণ শেখাবার ক্ষেত্রে অনেক প্রতিবন্ধকতাও রয়েছে। আমরা পাশ্চাত্য সংস্কৃতিকে গ্রহণ করছি যা অবশ্যই আধুনিক বিশ্বে প্রতিযোগিতা করতে ও টিকে থাকতে খুবই জরুরি কিন্তু সেই সংস্কৃতির জন্যে যথোপযুক্ত সুবিধা ও পরিবেশ আমরা দিতে পারছি না। এর ফলে সংস্কৃতিক ও সামাজিক দ্বন্দ্ব তৈরি হচ্ছে যা আমাদের আচার-আচরণে প্রকাশ পায়।
এর উপরে খেলাধূলা ও বিনোদনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় শিশু-কিশোরেরা আক্রমণাত্মক প্রকৃতির হয়ে যাচ্ছে এবং যখনই তারা কোনো প্রতিকূল পরিবেশের সম্মুখীন হয়, তখন তারা খুব খারাপভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়। এগুলো সবই চরিত্রের অবক্ষয়ে ভূমিকা রাখছে। তারা এখন বড়দের প্রতি খুবই কম শ্রদ্ধাশীল এবং কৈশোরে পৌঁছতে পৌঁছতে অনেক খারাপ অভ্যাস রপ্ত করে ফেলে।
ইদানিং অনেক কিশোরদেরকেই সমাজবিরোধী দলে যেমন; বাইকার গ্যাং, বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনে এবং তাদের সহপাঠীদের নিয়ে গঠিত বিভিন্ন ছোট ছোট দলে সংযুক্ত হতে দেখা যায়। এই দলগুলো প্রায়শই সমাজবিরোধী ও রাষ্টবিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়। তারা পিতামাতা, আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষক এবং সমাজের অন্যদের সাথে সদাচরণের অভ্যেসটা হারিয়ে ফেলছে।
শুধুমাত্র শহরেই নয়, গ্রামে-গঞ্জের চেহারাও একই রকম। একযুগ আগেও গ্রামের ছেলেমেয়েরা তাদের বয়োবৃদ্ধদের প্রতি অনেক শ্রদ্ধাশীল ছিল কিন্তু গত এক যুগে বিভিন্ন বদঅভ্যাস গড়ে উঠার দরুণ সেই চিত্রটা সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। মাদক ও ইন্টারনেটের ব্যাপক বিস্তৃতির কারণে সর্বত্র যুব সমাজ ধ্বংসের পথে এগোচ্ছে। মাদকের অপব্যবহার, ইভ টিজিং এবং দলগত সংঘাতের ঘটনাগুলো সারাদেশে ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
শুধুমাত্র তরুনেরাই নয় বরং সমাজের প্রতিটি প্রজন্মের মাঝেই চারিত্রিক মূল্যবোধের অবক্ষয় পরিলক্ষিত হচ্ছে। সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোতে আমরা এখন আর বয়োবৃদ্ধদের তেমন একটা সম্মান করি না। অন্যদের সাথে ভাবের আদান-প্রদানে যখনই কোনো দ্বন্দ্বের সম্মুখীন হই, তখনই আমরা খারাপ আচরণ করে থাকি। খুব সহজেই প্রতিনিয়ত আমরা চিৎকার, গালিগালাজ ও অন্যান্য অশ্রদ্ধাশীল আচরণ করে থাকি।
উদাহরণ স্বরূপ বাসে চড়ার সময় আমরা প্রায়শই বাস চালক ও তার সহকারীকে খারাপভাবে বকাঝকা করে থাকি এবং তারাও তাদের কথা ও অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে আমাদেরকে সেই ব্যবহার ফিরিয়ে দেয়। বাসের সামনের দিকে কিছু আসন সবসময় মহিলা ও প্রতিবন্ধীদের জন্য সুরক্ষিত থাকে। কিন্তু ঐ আসনগুলোতে বসে পড়াটা আমাদের অভ্যাসে পরিনত হয়েছে এবং যখন কোনো মহিলা বা প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সেই আসনগুলোর প্রয়োজন হয়, আমরা তা খালি করে দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করি। এটি আমাদের আইন বা নিয়ম ভঙ্গ করার স্বভাবের একটি সাধারণ উদাহরণ।
নারীরা সমাজের লোকদের কাছ থেকে প্রায়ই অসম্মানজনক আচরণের শিকার হয়। ইভটিজিং ও ধর্ষণের মতো অপরাধ সংঘটনের মাত্রার দিক থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। মানুষের খারাপ আচরণের দরুন জনপরিবহনে উঠা থেকে শুরু করে অফিসে কাজ করা পর্যন্ত সকল ক্ষেত্রেই নারীদের জন্য জীবন অনেক কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
আমরা নারীদেরকে পুরুষদের থেকে দুর্বল মনে করি এবং প্রায়ই তাদের সাথে এমন আচরণ করি যা তাদের ব্যক্তিত্ববোধকে আঘাত করে। নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশ্বব্যাপী প্রচুর অভিযানের পরেও বিশেষভাবে আমাদের তরুণ সমাজ নারীদের প্রতি বেশ অশ্রদ্ধাশীল হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ ও আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে নারীদের উপর বর্বরোচিত হামলার অনেক ঘটনা বিগত কয়েক বছরে ঘটেছে। এটি আমাদের মূল্যবোধ ও চরিত্রের অবক্ষয়কেই তুলে ধরে যা আমাদের জন্য খুবই আশঙ্কাজনক।
ব্যবসায়িক জগতেও আমরা অবক্ষয়মান মূল্যবোধ দেখতে পাই। মানুষ তাদের কর্ম জীবনেও অনেক আক্রমণাত্মক হয়ে গেছে। আর এটি প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে নয় বরং অন্যদেরকে ছোট করার প্রয়াসে ঘটে চলেছে। আজকাল সহকর্মী, ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তা এবং প্রতিযোগীদের প্রতি খুব কম শ্রদ্ধাবোধ অবশিষ্ট রয়েছে। আমরা এখন প্রায়শই লোকজনকে বিভিন্ন জায়গায় তাদের সহকর্মীদেরকে ছোট করতে দেখি এবং এটি কখনোই সমাজের জন্য সুখকর নয়।
প্রায় সকল সরকারি অফিস ও অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও ঘুষের আদান-প্রদান আজকে একটি সাধারণ ব্যাপার । এটি একটি খোলা গোপন বিষয়ে  এবং জনগণের জন্য ক্রমবর্ধমান মাথাব্যথায় পরিনত হয়েছে। রাজনৈতিক বা বিশেষ পরিচয়কে অনৈতিকভাবে ব্যবহার করা বর্তমান সময়ের আরেকটি সাধারণ চরিত্র।  মানুষজন এখন আর নিজের নাম দিয়ে পরিচয় দেয় না বরং তারা কোন দলের বা গোষ্টীর অথবা  কার আত্মীয় তার মাধ্যমেই নিজের পরিচয় দিতে পছন্দ করে। অত্যন্ত বিরক্তিকর হওয়া সত্ত্বেও এটিই বর্তমানে রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। অকারণে কর্মপরিবেশে আমরা হয়রানির শিকার হচ্ছি এবং এটিই যেন কর্মজগতের একটি নতুন ধারায় পরিনত হয়েছে।
আমাদের রাজনীতিও চরিত্র হারিয়ে ফেলেছে। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো এবং তাদের নেতারা গঠনমূলক সমালোচনার ধারণাটাই ভুলে যাচ্ছে এবং সর্বদা বিরোধী পক্ষের ভুলত্রুটি ও অপারগতার ওপর ভিত্তি করে ফায়দা নেয়ার চেষ্টায় লিপ্ত। বিরোধী পক্ষের প্রতি এখন তারা খুবই আক্রমণাত্মক এবং তা অনেক সময়ই খুবই ব্যক্তিগত আক্রমণ হয়ে যায়।
সংসদের বিতর্কের জায়গায় রাজনৈতিক লড়াই এখন রাজপথে অথবা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে চলে এসেছে। সরকার এবং বিরোধী দল উভয়েই ক্রমাগত একে অপরকে আক্রমণ করছে এবং রাজনীতি অনেক নোংরা হয়ে গেছে। বিরোধী দলীয় জেষ্ঠ্য রাজনীতিবিদদের ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে এখনকার রাজনৈতিক নেতারা কোনো সচ্চরিত্রের পরিচয় দেয় না। তারা এখন একে অপরের দিকে কাঁদা ছোড়াছুড়িতেই ব্যস্ত।
সরকারি দল ও বিরোধী দলের সর্বোচ্চ নেতারা  সকল সামাজিক আচরণবিধি ভুলে গিয়েছে। যদিও এগুলো তাদের অবশ্য পালনীয় ছিল। বর্তমানে এটা মনে হচ্ছে যে আমাদের  রাজনীতির সম্পূর্ণরূপে চরিত্রহানি ঘটেছে।
আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম আচরণ ও স্বভাবগতভাবে কি অবস্থায় দাঁড়াবে তা আমাদের জন্য চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি শিশু যে তার পরিবার, সমাজ ও দেশের কাছ থেকে শিখবে, সে সবকিছুই ভুল শিখছে। যেমন; যখন একটি শিশু দেখবে যে তার বাবা-মা কোনো নিয়ম না মেনে রাস্তা পারাপার করছে, কাজের লোকদের সাথে রূঢ় আচরণ করছে অথবা আত্মীয় –স্বজনের সাথে উঁচু গলায় ঝগড়া করছে তখন সে সেটিকেই সঠিক বলে ধরে নেবে। এই শিশুরা আইন বা নিয়ম কানুনের প্রতি কোনো শ্রদ্ধা ছাড়াই বড় হয়ে উঠবে।
এই শিশুরা যখন বড় হবে, তখন তারা খুব উগ্র, আক্রমণাত্মক ও হিংস্র হয়ে উঠবে। এবং তারা তাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকেও কোনো ভালো কিছু শিক্ষা দিতে পারবে না। এই পরিস্থিতি অসভ্যতার একটি ভয়াবহ চক্র তৈরি করবে। একটি পর্যায়ে শুধুমাত্র কিছু দুর্বল আইনের মাধ্যমে আমরা আর এই পরিস্থিতিকে সামলাতে পারবো না। আর আমরা সহজেই অনুধাবন করতে পারি যে, একটি সভ্যতাহীন সমাজে বসবাস করাটা অত্যন্ত কুৎসিত ব্যাপার।
এই পরিস্থিতির আলোকে, বাংলাদেশের নাগরিকদের এই চরিত্রগত বিষয়টি আমাদের নেতাদের ও বয়োজেষ্ঠ্যদের এখন স্বীকার করে আমলে নিতে হবে। আমাদের বাচ্চাদের মূল্যবোধ ও চরিত্রগত অবক্ষয়ের হাত থেকে বাঁচাতে এখনই কঠিন ও সুচিন্তিত পদক্ষেপ নিতে হবে।
বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের মতো আমাদের ও বাচ্চাদেরকে বিদ্যালয়েই স্বভাব চরিত্রের উপর প্রশিক্ষণ দিতে হবে। যদিও বেশিরভাগ বিদ্যালয়েই শিক্ষকেরা এটি করার চেষ্টা করে থাকেন কিন্তু শুধুমাত্র তাদের সেই প্রচেষ্টায় এখন আর শিশুরা কোনো বাধ্যবাধকতা অনুভব করে না। ভালো আচার-আচরণ ও স্বভাব-চরিত্র শিক্ষা দেবার জন্য নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যায়েই একটি পূর্ণ বিষয় থাকা উচিৎ যাতে করে শিশু, শিক্ষক ও অভিভাবক সকলের কাছেই এই বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়।
শিশুদের শিক্ষা দিতে হবে যে কি করে বাবা-মায়ের সাথে ভাল ব্যবহার করতে হবে, কিভাবে রাস্তাঘাটে চলাফেরা করতে হবে এবং সমাজে কিভাবে আচরণ করতে হবে ইত্যাদি। সামাজিক মূল্যবোধগুলো তাদেরকে খুবই অল্প বয়সেই শিক্ষা দিতে হবে। পাঠ্যক্রম ও সিলেবাস প্রণেতাদের বিদ্যালয়ের প্রতিটি পর্যায়ে মূল্যবোধ ও চরিত্রের উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করতে হবে কারণ এটি এখন আমাদের জন্য অপরিহার্য প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ছোট বয়সে মানসিক উন্নয়নের বিষয়টিকেই সবচেয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। অভিভাবকদেরও এই প্রক্রিয়ায় স্বতঃস্ফর্তভাবে অংশ নিতে হবে। আমরা যদি এগুলো করতে পারি তাহলে হয়তো আমরা অন্তত আমাদের বাচ্চাদের ভবিষ্যতকে রক্ষা করতে পারব। অন্যথায় আমরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য শুধুমাত্র দুর্ভাগ্যই বয়ে আনবো এবং তা এড়াতে অবশ্যই এখনই আমাদের কাজ শুরু করতে হবে।
লেখক পরিচিতি: প্রধান সম্পাদক, মোহাম্মদী নিউজ এজেন্সী (এম.এন.এ)

 

%d bloggers like this: